MEDICOS '88 • R.G. KAR MEDICAL COLLEGE

Memories
From Friendship

OUR STORY

Memories From Friendship

Dr Kushal Guha

Dr Kushal Guha

বাড়ি যাবার পথ ধরেই হাঁটছিলাম। পড়ার কোনো এক বাড়ির থেকে ভেসে এলো অনেক পুরোনো হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এর গাওয়া একটি গান....."ফেলে আসা স্মৃতি গুলো আমায় যে পিছু ডাকে"..... সুরের রেশ ধরে ফিরে গেলাম ৩৮ বছর আগের জীবনে। মনে পড়ে গেলো যেদিন প্রথম প্রবেশ করেছিলাম কলেজে....আমার কলেজে, আমাদের কলেজে...আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে।

প্রথম যেদিন ক্লাস শুরুর কথা ছিলো সেদিন কী যেন বেশ নিয়ে ছাত্র ধর্মঘট হলো...ক্লাস হলোনা।আমার এক সহপাঠী,যার সঙ্গে আমার সেদিনই আলাপ, হাতে জ্বলন্ত সিগারেট নিয়ে বলল ...DSA ধর্মঘট ডেকেছে বুঝলি..তবে এখানে ছাত্র পরিষদ করতে হবে..বাড়িতে আমার সব সিপিএম যদিও...

প্রথম দিনই বুঝেছিলাম রাজনীতি গ্রাস করতে উদ্যত মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের।

পরে কেউ DSA, কেউ ছাত্র পরিষদ,কেউ SFI করেছে.... সবাই ধীরে ধীরে বুঝেছে এই রাজনীতির মধ্যে যতটা না আদর্শ আছে তার থেকে বেশি আছে চমক ,ধমক,নাটক।
তাই আমার এক সহপাঠী বন্ধু সেদিনই লিখে ফেলেছিল....

"বড় অদ্ভুত এ সময়
কে যে বন্ধু কে যে শত্রু বোঝা দায়
চারিদিকে হায়নার মাঝে মনে হয়
আমিও না হায়না হয়ে যাই"

(অনেক দিন আগের পড়া লাইন , স্মৃতি থেকে লিখলাম,একটু ভুল হতে পারে)
রাজনীতি সকলেই করেছি। কিন্তু তার বিভেদ হারাতে পারেনি ।আজ এতো দিন পরেও আমরা সকলে বন্ধু থেকে গেছি।

বন্ধুত্ব পড়াশুনো করে তৈরী হয়না,হয় আড্ডা মেরে,মত বিনিময় করে, একে অপরের পাশে থেকে....এই আড্ডা আমরা মেরেছি কলেজের প্রাণকেন্দ্রে।

কলেজের বেশ কয়েকটি জায়গা আমার মনে হয় প্রাণকেন্দ্র ছিলো।আজ এই বয়সে মনে হয় একবার কলেজ জীবনে ফিরে গিয়ে ওখানে বসে আড্ডা মারি....আবার নতুন করে এই জীবনে "আঠারো আসুক নেবে"

স্টুডেন্ট ক্যান্টিন
কলেজ জীবনের অনেকটা সময় আমাদের সকলের কেটেছে এখানে।অনেক ভালোলাগা,ভালোবাসা,তর্ক,সমালোচনা,হাসি, ঠাট্টা, তামাশা আর মসকরার সাক্ষী হয়ে আছে এই ক্যান্টিন।ক্লাস শেষ করে এসে এক কাপ চা, কিংবা চঞ্চলের দোকানের একটা সিগারেট বা কম দামের ভেজিটেবল চপ...খেতে খেতে অপ্রয়োজনীয় কথায় কেটেছে কত সময় ....ওই অপ্রয়োজনীয় কথা বলতে আজ ভীষণ ইচ্ছে করে। ডাক্তারি পাশ করার পরও রাউন্ড দিয়ে ইউনিট এর সকলের সঙ্গে এসে আড্ডা দেওয়া এক অসাধারণ, মিষ্টি ,মন কাড়া..মনে রাখার মতো অভিঞ্জতা।

স্টুডেন্ট ক্যান্টিন ছিল মেলার প্রাঙ্গণ।মেলায় যেমন সবার সঙ্গে সবার দেখা হয় এখানেও তেমনি সব ইয়ার এর ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে দেখা হতো , গল্পও হতো। এই ক্যান্টিন এর টান আজও আমরা সকলে অনুভব করি।এই ক্যান্টিন আমাদের সহপাঠী থেকে বন্ধু করে দেবার কলেজের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।তাই আজও REUNION এ গেলে একবার অন্তত গিয়ে বসি ওখানে।

চীপ স্টোর
সস্তায় ডাক্তারি বই ছাত্রদের দেবার জন্য এই বইয়ের দোকান। কতটা সস্তায় বই আমরা পেয়েছি এখান থেকে সে কথা আমাদের চেয়ে কেউ আর বেশি জানে না। কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন যেমন হয় তেমনি যেন এই দোকানের নাম।আর এক টা বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিলো এই দোকানের ... খুলতো কম সময়ের জন্য,বন্ধ থাকতো বেশি।আর এই বন্ধ থাকার সময় ওর সামনের দুটো চাতালে জন চারেক মিলে জমিয়ে আড্ডা দেওয়া যেতো।যারা হোস্টেলে থাকতাম সন্ধ্যার পরে অনেক সময় কাটিয়েছি।মশা যে একদম ছিলনা তা নয়...তবে চেনা বলে খুব একটা কামড়াতো না... আজও মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে সেইরকম আড্ডা মারি। সহপাঠী থেকে বন্ধু হয়ে ওঠার জন্য চীপ স্টোর আমার কলেজের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।

লাইব্রেরি
আমরা যখন কলেজে পড়তাম লাইব্রেরি ছিলো

ক্যাজুয়ালটি ব্লক এর 5 তলায়।মনে আছে প্রথম বর্ষে HISTOPATHOLOGY র জন্য কি যেন একটা বিদেশি বই থেকে ছবি আঁকতে হতো রোজ।যে বইটা থেকে আঁকতে হতো সেটার দাম বেশি থাকায় আমরা সকলে কিনতে পারতাম না। আমাদের যারা প্রথমে হোস্টেল পাইনি তারা টিফিন টাইমে লাইব্রেরি গিয়ে ওই ছবি গুলো বইটা থেকে আঁকতাম।সে এক দারুণ বিড়ম্বনা।যারা ভালো আঁকতে পারে তাদের কথা আলাদা,আমার মতো যারা ড্রয়িং এ 25 সে 2 পেয়ে ক্লাস এ উঠেছি তাদের কাছে ওই আঁকা এক ভয়ঙ্কর অত্যাচারের মতো মনে হতো।

আমার এই অসহায়তার সাক্ষী কলেজ লাইব্রেরি।

এরপর আরও কয়েক বছর পার করেছি ওখানে।3rd year এর ক্লাস শেষ হতো 5 টায়...এর পর আমরা অনেকে এসে পড়তাম। গল্পও হতো। Crofton এর দামী Respiratory medicine এর উপর লেখা বই,Braunwald এর হার্ট এর উপরে লেখা বই এই লাইব্রেরি আমাকে দেখিয়েছে।..Rheumatic fever এর Duckett Jones Criteria নিয়ে কতো কত সময় কাটিয়ে দিয়েছি এই লাইব্রেরীতে...সঙ্গে লাইব্রেরি সাক্ষী হয়ে আছে অনেক ভালোলাগার,ভালোবাসার, মান অভিমান,ভুল বোঝাবুঝি ...এরকম একরাশ নস্টালজিয়ার।

আমাদের সহপাঠী থেকে বন্ধু হয়ে ওঠার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র লাইব্রেরি।

DOCTOR'S CANTEEN
এই ক্যান্টিন শুরু হয় 1993 সালে।আমরা তখন ইন্টার্ন।মদন দার ক্যান্টিনের 12 টাকায় 2 টুকরো মাটন আর এক পেলেট ভাত 923 টাকা পাওয়া ইন্টার্ন এর কাছে স্বর্গ।অসাধারণ সুস্বাদু রান্না লিখতে লিখতে জিবে জল এসে গেলো.... ইন্টার্ন শিপ আর হাউস্টাফ শিপের অনেক আড্ডা ,মজা, গল্পের সাক্ষী....মদন দার ক্যান্টিনের বেঞ্চ আর টেবিল ।

এখানে আমার এবং আমার মতো আরও অনেক বন্ধুর জীবনের সবথেকে ভালো কিছু সময়ের স্মৃতি রয়ে গেছে।

মদন দার ক্যান্টিন আমাদের ডাক্তারি পাশ করে ডাক্তার হয়ে ওঠার সময়ের কলেজের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ছিলো।

বাগান
আর জি করের প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকে বাঁ দিকে পরে OBS AND GYNAECOLOGY DEPARTMENT এর বাড়ি। ওটা পার হয়ে এলে একটা সুন্দর বাগান...একদিকে ছিলো কার্ডিওলজি বিভাগ,একদিকে KB HOSTEL এক দিকে ADMINISTRATIVE BLOCK.... ছোটো এই বাগানটা ভারি সুন্দর ছিল। তার দিয়ে ঘেরা ছিলো চারধার। তারের সামনে বাইরের দিকে চারিদিকে চাতাল দিয়ে বাঁধানো ছিলো।এই চাতাল বহু বন্ধুত্ব,অনেক আড্ডা,অনেক প্রেমের সাক্ষী হয়ে আছে।এখন যারা স্বামী-স্ত্রী,যারা প্রেমিক প্রেমিকা ছিল বৈবাহিক জীবনে আবদ্ধ হয়নি বা হতে চায় নি,যারা খুব ভালো বন্ধু ছিল এবং এখনও যারা খুব ভালো বন্ধু আছে ..তাদের সবার কথা জানে ওই বাগানের চাতাল।চাতালে বসেনি একদিনও এমন MEDICOSS 88 পাওয়া কঠিন।

অনেক না বলা কথা,অনেক মান,অভিমান,বন্ধুত্ব,ভালোবাসা,ভালোলাগার সাক্ষী কলেজের এই স্থান। আমাদের কলেজের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র এটি।

পুরোনো অডিটোরিয়াম
নতুন যে অডিটোরিয়াম টা হয়েছে, আমাদের সময় সেটা ছিলনা।আমাদের সময়ের সব অনুষ্ঠান হতো ADMINISTRATIVE BLOCK এর হল ঘরে।সেই ঘরে না ছিল ভালো বসার আসন,না ছিল গান করার মতো ভালো মঞ্চ,না ছিল সঠিক AQUASTIC......কিন্তু কিছু না থেকেও ওই অডিটোরিয়াম এ গাওয়া সুপ্রিয়র "ভালোবাসা ছাড়া আর আছে কি"...কিংবা পামেলার "কেনো কিছু কথা বলেনা".....

এই অডিটোরিয়ামেই আমার প্রতম দেখা সুমন চট্টোপাধ্যায়ের অনুষ্ঠান....তোমাকে চাই।ভাষা বুঝতে না পেরে ও মনে আছে শশী খুব ENJOY করেছিল.....লোবেলিয়া,শাব্দিক...এখানেই হয়েছিল।5TH YEAR এর লোবেলিয়ার শেষ দিনের আনন্দ,গণ্ডগোল সব কিছুর সাক্ষী এই অডিটোরিয়াম.....আমাদের FRESHER'S WELCOME বা নবীন বরণ এই খানেই হয়েছিল।তাই আজও আমার মনে এই জায়গাটা কলেজে অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।

কফি হাউস থেকে যাবে
থাকবে R G KAR MEDICAL COLLEGE

আমরা একদিন সবাই ছিলাম ওখানে ।
আজ আমাদের মনে মন জুড়ে থাকুক R G KAR MEDICAL COLLEGE আর থাকুক আমাদের বন্ধুত্ব ...ধর্ম ,জাতি,রাজনীতি,আর্থিক প্রতিষ্ঠা,শিক্ষাগত যোগ্যতার ঊর্ধ্বে উঠে।

Dr Kalyan Pal

Dr Kalyan Pal

Baptism by the Scalpel

More than 12 hours of train journey by Darjeeling Mail, then the Taxi ride from Sealdah station by iconic yellow ambassador to my destination R G Kar Medical College.

With my baggage, I stood in awe in front of Albert Victor building, the butterflies of my dream of becoming a Doctor creating palpitations as I slowly walked towards the Main hostel. Yes… I had achieved what I wanted. Coming from a small town to a big city to study Medicine was a paradigm shift in my life. The year 1988… the time monsoon…

I started my pedagogical journey as a first year as a first year student of MBBS in one of the oldest Medical colleges of India… R G Kar Medical College, Kolkata… the rest is history. Now after so many years when I reminisce about my past, fleeting emotions create a flurry of pictures down the memory lane like the big reels of a motion cinema.

We were a batch of 145 plus students in 1988 when we started the journey of our medical career. And for the five years which shaped our destiny was the most memorable span of our lives because that time period was woven with golden threads of friendship, camaraderie and tender fraternity between each of us. Between the lectures in LT’s and practical classes came the adda in canteen & commonroom. Some days were tense with political harangues and tirades leading to elections of Students Union while others were drenched with musical vibes of Lobelia & others which were imbibed in subtle romance between fellow partners… But the strong bond of friendship always remained beyond academic pursuits, that’s the reason why Medicos 88 is still alive and vibrant, when we are past 55 years of age.

One night , I looked at a scar mark on my right hand thenar eminence & I recalled the incident in M.N. Bose anatomy hall when I severely injured myself dissecting the formalin hardened cadaver with a scalpel…. and now after so many years when I hold the scalpel in operation theatre, I feel that incident was Baptism by the Scalpel which shaped me to become a surgeon.

R G Kar Medical College is like a template to me and I pay my obeisance to the altar which my teachers gave foundation to spread knowledge shaping all of us who are now great Doctors in their own fields in India & abroad. Ling live my Alma Mater and long live our friendship of Medicos 88 beyond eternity.

Proud alumni of RG Kar Medical Kolkata 1988 batch

Dr Sushil Beriwal

Dr Sushil Beriwal

1988 में जब हम सब R.G. Kar Medical College पहुँचे थे, तब न किसी को पता था कि डॉक्टर बनेंगे या नहीं, लेकिन इतना ज़रूर था कि जोश बहुत था और डर बहुत कम। क्लास, प्रैक्टिकल, डिसेक्शन, क्लिनिक, वार्ड, वाइवा—इन सबके बीच असली ज़िंदगी तो कैंटीन की चाय, घंटों की अड्डेबाज़ी, Lobelia के प्रोग्राम, हॉस्टल की मस्ती, इंटर-कॉलेज की दोस्तियाँ और कभी-कभी स्टूडेंट हंगर स्ट्राइक में ही बसती थी। पढ़ाई भी हुई, शरारत भी हुई, बहस भी हुई, और हँसी-मज़ाक भी। आज सोचते हैं तो लगता है कि डॉक्टर बनने से पहले हम इंसान और दोस्त बनना वहीं सीखे थे।

1994 में डिग्री लेकर सब अपनी-अपनी राह पर निकल पड़े। कोई देश के दूसरे शहरों में गया, कोई विदेश चला गया। ज़िंदगी ने हमें अलग-अलग मुकाम दिए—करियर, परिवार, ज़िम्मेदारियाँ। लेकिन दिल का एक कोना हमेशा कोलकाता और R.G. Kar में ही रहा। आज इतने साल बाद लगता है कि फिर से वही रिश्ता जोड़ने का समय आ गया है। किसी ने सही कहा है—जितनी ज़िंदगी जी चुके हैं, शायद उससे कम अब बाकी है। इसलिए जो समय हमारे पास है, उसे पुराने दोस्तों के साथ हँसते-बोलते, पुरानी यादों को ताज़ा करते और नई यादें बनाते हुए जीना चाहिए। अब न एग्ज़ाम का डर है, न रिज़ल्ट की टेंशन—बस एक-दूसरे का साथ है। आइए, फिर से वही 1988 वाली दोस्ती जीते हैं

In 1988, a bunch of wide-eyed, overconfident youngsters landed at R.G. Kar Medical College convinced that becoming doctors would be the hardest part of life. We soon discovered that surviving anatomy dissections, pharmacology, clinics, practical exams, and professors’ questions was only half the battle! The rest of our education happened over endless cups of chai during adda, in the canteen, at Lobelia, on hostel terraces, during night-before-exam group studies (where very little studying actually happened), and occasionally on the streets during student hunger strikes. Somehow, between lectures, ward rounds, practicals, politics, cricket, romance, and laughter, we managed to earn an MBBS. Looking back, it’s amazing that we learned medicine at all—but perhaps we learned something even more valuable: friendship, resilience, and how to laugh even when the viva examiner wasn’t.

By 1994, we proudly collected our degrees and scattered across India and the world in pursuit of careers, dreams, and families. We became specialists, teachers, researchers, administrators, and, most importantly, experts at pretending we knew what we were doing! Yet no matter how far we traveled, a part of us never really left Kolkata or R.G. Kar. Those memories have stayed fresher than our anatomy textbooks and certainly aged better than most of us! Today, with children grown up, careers largely established, and many of life’s biggest responsibilities behind us, perhaps it’s time to reclaim the carefree spirit of 1988. After all, we’ve already lived more years than we have left. So why not spend the next chapter doing what we always did best—meeting old friends, sharing old stories (getting less accurate every year), laughing at ourselves, and proving that while our hairlines and waistlines may have changed, our friendship is still in perfect clinical condition

Dr Punam Tulsian

Dr Punam Tulsian

A Journey That Chose Me

People often ask me why I chose medicine. My answer usually catches them off guard.

I didn’t choose medicine. Medicine chose me.

Growing up in the 1980s, the career choices for a student who did well academically were fairly straightforward—become a doctor or become an engineer. I happened to be ambitious, competitive, and reasonably good at studies, so medicine seemed like the obvious destination.

More than my dream, however, it was my father’s. Coming from a conservative Marwari family, he was remarkably progressive for his time. He believed his daughter should stand on her own feet and make something meaningful of her life. I adored him, trusted his judgment implicitly, and was determined to fulfill his dream.

Looking back now, I realize I rarely stopped to ask myself an important question: What do I really want? I simply kept pursuing what everyone else considered prestigious, difficult, and worth striving for.

My first day at medical college was memorable—not because of Gray’s Anatomy or biochemistry, but because after twelve years in an all-girls school, I suddenly found myself in a classroom full of boys! For an eighteen-year-old, that was nothing short of exhilarating. I walked into college excited to make friends… and if destiny was feeling particularly generous, perhaps even a boyfriend.

Spoiler alert: destiny had other plans.

I was a day scholar, so I escaped hostel life and ragging altogether. Instead, I immersed myself in friendships. Being an extrovert, I settled in quickly and found myself surrounded by a wonderful bunch of girls. We were a delightful combination of sensible, studious, slightly crazy, fiercely loyal, and occasionally badass. We laughed, studied, supported one another, and created memories that have lasted a lifetime. Even today, I treasure those friendships.

There were classmates who inspired me too. I still remember being deeply impressed by Sushil’s intellect and clarity of thought. He set a benchmark that made me want to push myself harder.

As for the boys… well, let’s just say I had my fair share of secret crushes. Maybe one. Maybe two. Maybe a few more. But don’t expect me to reveal any names now. After all these years, why should I inflate anyone’s ego unnecessarily? Let history keep a few mysteries.

Despite all the butterflies and teenage fantasies, nothing ever blossomed into a romance. I remained my father’s “good girl.” I respected him so much that somewhere in my mind I felt I shouldn’t do anything that might distract me from my studies or disappoint him. Looking back, I sometimes smile at how disciplined I was. At eighteen, while everyone else seemed busy writing love stories, I was busy writing case histories.

Radiology wasn’t exactly my own carefully considered choice either. Like many decisions in those days, it was influenced by what others considered the most competitive and prestigious specialty. I worked hard, completed my postgraduate training, and went on to build a deeply rewarding career. I had the privilege of working in excellent hospitals, teaching postgraduate students, leading departments, and earning the respect of colleagues and patients. Professionally, I was fortunate beyond measure.

Yet somewhere inside me, I often felt there was another version of myself waiting quietly in the wings.

Perhaps the greatest lesson medicine taught me had nothing to do with diagnosis or disease. It taught me the importance of knowing oneself.

No one had ever really encouraged me to ask, What truly brings me joy? That question arrived much later in life.

Today, I finally have the freedom to explore the answer. I am learning Spanish (¡Hola, amigos!), painting, making ceramics, cooking, travelling, and reading. Every new hobby feels like meeting an old friend I never knew I had. These pursuits haven’t replaced medicine; they’ve completed me.

One of the most valuable lessons I carried into parenthood was this: never let someone else write your child’s dreams. I consciously gave my son the freedom that I never really had—to explore, experiment, change his mind if necessary, and choose a path that genuinely resonated with him.

Do I regret becoming a doctor?
Not for a moment.
Medicine gave me purpose, discipline, resilience, lifelong friendships, unforgettable teachers, and the privilege of touching countless lives. It earned me respect and gave my family immense pride.

But if my journey has taught me anything, it is that success and self-discovery are not always the same journey. Sometimes we spend the first half of our lives building a career, and the second half discovering ourselves.

I have been fortunate enough to experience both.

So no, I did not choose medicine. But medicine gave me a remarkable life, extraordinary friends, countless stories, and eventually, the wisdom to discover the person behind the white coat.

And for that, I shall always be grateful.

Dr Manisha Jaiswal

Dr Manisha Jaiswal

1988 मेडिकोज़ बैच: मेडिकल कॉलेज के दिन, यादों का कारवाँ और आगे की राह

समय की धारा अविरल बहती रहती है, पर कुछ स्मृतियाँ ऐसी होती हैं जो कभी धूमिल नहीं पड़तीं। 1988 मेडिकोज़ बैच के लिए आर जी कर मेडिकल कॉलेज केवल शिक्षा का केंद्र नहीं था, बल्कि जीवन की सबसे अनमोल सीखों और रिश्तों की जन्मभूमि था। एनाटॉमी की पहली कक्षा से लेकर इंटर्नशिप की व्यस्त ड्यूटी तक, हॉस्टल की शरारतों से लेकर रातभर की पढ़ाई तक, हर पल ने हमें गढ़ा, सँवारा और जीवन का सही अर्थ सिखाया।

इन वर्षों में हम सबने अलग-अलग दिशाओं में अपनी पहचान बनाई। किसी ने रोगियों की सेवा को अपना धर्म बनाया, किसी ने शिक्षण, शोध, प्रशासन या समाज सेवा में नए आयाम स्थापित किए। उपलब्धियाँ अनेक रहीं, चुनौतियाँ भी कम नहीं थीं, पर 1988 बैच की मित्रता और अपनापन हमेशा हमारी सबसे बड़ी पूँजी बने रहे।

आज जब हम वर्षों बाद फिर एक साथ खड़े हैं, तो लगता है मानो समय ने एक सुंदर वृत्त पूरा कर लिया हो। यह केवल पुरानी यादों को ताज़ा करने का अवसर नहीं, बल्कि आने वाले वर्षों के लिए नए संकल्प लेने का भी समय है। आइए, अपने अनुभव, स्नेह और सेवा-भाव से नई पीढ़ी का मार्गदर्शन करें। हमारी मंज़िल अभी शेष है, क्योंकि सच्ची मित्रता और सेवा का सफ़र कभी समाप्त नहीं होता।

1988 मेडिकोज़ बैच: मेडिकल कॉलेज के दिन, यादों का कारवाँ और आगे की राह

समय की धारा अविरल बहती रहती है, पर कुछ स्मृतियाँ ऐसी होती हैं जो कभी धूमिल नहीं पड़तीं। 1988 मेडिकोज़ बैच के लिए आर जी कर मेडिकल कॉलेज केवल शिक्षा का केंद्र नहीं था, बल्कि जीवन की सबसे अनमोल सीखों और रिश्तों की जन्मभूमि था। एनाटॉमी की पहली कक्षा से लेकर इंटर्नशिप की व्यस्त ड्यूटी तक, हॉस्टल की शरारतों से लेकर रातभर की पढ़ाई तक, हर पल ने हमें गढ़ा, सँवारा और जीवन का सही अर्थ सिखाया।

इन वर्षों में हम सबने अलग-अलग दिशाओं में अपनी पहचान बनाई। किसी ने रोगियों की सेवा को अपना धर्म बनाया, किसी ने शिक्षण, शोध, प्रशासन या समाज सेवा में नए आयाम स्थापित किए। उपलब्धियाँ अनेक रहीं, चुनौतियाँ भी कम नहीं थीं, पर 1988 बैच की मित्रता और अपनापन हमेशा हमारी सबसे बड़ी पूँजी बने रहे।

आज जब हम वर्षों बाद फिर एक साथ खड़े हैं, तो लगता है मानो समय ने एक सुंदर वृत्त पूरा कर लिया हो। यह केवल पुरानी यादों को ताज़ा करने का अवसर नहीं, बल्कि आने वाले वर्षों के लिए नए संकल्प लेने का भी समय है। आइए, अपने अनुभव, स्नेह और सेवा-भाव से नई पीढ़ी का मार्गदर्शन करें। हमारी मंज़िल अभी शेष है, क्योंकि सच्ची मित्रता और सेवा का सफ़र कभी समाप्त नहीं होता।

Dr Sushil Murmu

Dr Sushil Murmu



Read More

menkHAn un ok0o ga0e kowag gozo sopohoD ar pazhaw renag sujOgx subiDHA qam ka0e ar. ji. kor medikel kolejx kHon dak0ari Dole pas keDa| pas 0ayom jaNhay koko digxri DazeyaDa digxri keDa men Do MD., MS keDa| ale koDo cakri qam ka0ele digxri keDa| menkHAn nijer nijerag ka.mi kHA.0ir okoy koDo biDes re, okoy ko kOlka0a, baNkuza, puruliya. eman jayga rele CHuziya.w ena| hade nade ka.mi a.sulog kan rehoN le, parom akan 38 serma laha renag kA0Ha ko Disa.

ruwa.z ka0e sermakiya. le qapam ruwa.z geya| nes Do ale Medicos 1988’ Batch ren sanam ga0e ko kOlka0are a.di bHari bHorom a0e nowa “qapam ruwa.z” seneleD le sapzaw akaDa| nowa qapam ruwa.z seneleD re iq maq seterog kan geya, ceDag se seDay ka0HA a.di jOriq Disa.y EDa| De-Dela ape kohoN seterog 0abon pe| mare ga0e mare ka0HA Disa. ruwa.z ga0e sa.ga.y rihit jiya.w 0aNhen 0abon ma baze| ABowan nowa seneleD nay0e napay0e hOy sa.0og ma, sanam kotHen nowage aNsiq DohoyeDa|

Dr Sailaj Ranjitkar

Dr Sailaj Ranjitkar

मैले आफूले चाहेको काम गरेको छु, जसका लागि म सर्व र्वशक्ति मानप्रति कृतज्ञ छु। जीवनले मलाई सुखद र कठि न दुवै कि सि मका पलहरू दि एको छ। सायद यही कारणले गर्दा म कठि नाइहरूसँग मि त्रता गाँस्न सकेँ।

केटाहरूको छात्रावासमा पहि लो दि न थि यो। आर. जी. कर मेडि कल कलेजको सुरुवात मेरो मनमा एक कि सि मको भारीपन वा भावुकता थि यो। यसो भन्दैमा म यसअघि कहि ल्यै छात्रवासमा बसेको थि इनँ भन्ने होइन; वास्तवमा म ६ वर्ष र्षको उमेरदेखि नै छात्रवासमा बस्दै आएको थि एँ। वयस्क अवस्थामा भने यो अनुभव पक्कै पनि फरक थि यो । यसमा नयाँ साथीहरूसँगको भेटघाट र अग्रजहरूले बनाएको प्रणाली बुझ्नेसम्बन्धी चि न्ता जोडि एको हुन सक्छ। त्यसमाथि , चार जना एउटै कोठामा मि लेर बस्नुपर्ने र्ने भएकाले आवासको व्यवस्था पनि त्यति सहज थि एन। तर, यही अवस्था मेरा लागि लुकेको वरदान साबि त भयो; यसैले मलाई यस्ता मानि सहरूसँग भेट्ने र मि त्रता गाँस्ने अवसर दि यो जो अब मेरो जीवनको अभि न्न अंग बनि सकेका छन्—कहि लेकाहीँ दि क्क लाग्दो व्यवहार गर्ने र्ने भए पनि , उनीहरू मेरा लागि पाउनु सौभाग्य मानि ने खालका उत्कृष्ट र प्रि य साथीहरू हुन्।

हामी सन् १९८८ को ब्याच थि यौ । मलाई सम्झना भएसम्म, जसमा करि ब १५० जना छात्र-छात्राहरू थि ए र हामी एकअर्का लाई चि न्न नि कै उत्साहि त थि यौं। वि भि न्न पृष्ठभूमि र जीवनप्रति को फरक-फरक दृष्टि कोण बोकेका हामी जसरी हुर्कि र्कि यौं र मेडि कल वि द्यार्थी हरूको एउटा यस्तो समूह बन्यौं, त्यो सम्झँदा ६ वर्ष र्षको यात्रा नि कै रोचक लाग्छ। सम्झनलायक धेरै राम्रा र पुराना यादहरू छन्—वि शेष गरी चलचि त्र हेर्न र्नका लागि कक्षा छोड्ने ती बदमासीहरू र कहि लेकाहीँ कक्षामा अलि बढी नै चकचक गर्ने र्ने बानी। फोरेन्सि क (Forensic) कक्षामा कागजका प्लेन उडाएको र हि स्टोलोजी (Histology) कक्षामा हस्तरेखा हेर्ने र्ने ती पलहरू अझै याद आउँछ—अनि अझ रमाइलो त तब हुन्थ्यो जब केटीहरू आफ्नो भवि ष्यबारे जान्न इच्छुक हुन्थे। सहकर्मी लाई गुमाउनुपर्दा को त्यो क्षण दुःखद र पीडादायी थि यो। यद्यपि , यद्यपि , मलाई यो भन्न खुसी लाग्छ कि हामीमध्ये धेरैजना डाक्टर बन्न सफल भयौं । एउटा यस्तो सौभाग्य जुन नि कै कडा परि श्रम र पसि ना बगाएर प्राप्त भएको थि यो।

हामी सबै हामीले चाहेको वा जीवनले हामीलाई हाम्रो व्यक्ति गत रुचि को क्षेत्रमा सफल बनाउनको लागि मार्ग र्गनि र्दे र्देशन गरेका छौं । मैले सि कर्मी गर्न र्न रोजेको छु कि नभने मलाई दि मागको प्रयोगभन्दा हातको प्रयोग गरेर शारीरि क रूपमा कडा परि श्रम गर्ने र्ने काममा बढी रुचि छ—हाम्रा एक प्लास्टि क सर्ज र्जरी परामर्श र्शदाताले भनेजस्तै, 'अर्थो पेडि सि यनहरू साँढेजस्तै बलि या हुन्छन्'। म आफैंलाई 'फि जि सि यन' (चि कि त्सक) को रूपमा कल्पना गर्दा सायद हाँस्ने थि ए होला।

हामी सबैजसो अहि ले ५५ वर्ष र्षको हाराहारीमा छौं—कोही अलि बढी, कोही अलि कम। हामी कसैसँग जीवनको गाँठोमा बाँधि एका छौं (यदि कोही बाँधि नुभएको छैन भने माफ गर्नु र्नुर्नुहोस्) र आफ्नो रोजाइको वा हामीलाई रोज्न लगाइएको (वा वि श्वास गर्न र्न बाध्य पारि एको) जीवन बाँचि रहेका छौं। जीवनको यस चरणमा यो कुराले खासै अर्थ र्थ राख्दैन। हामी बूढा भयौं भन्ने होइन, मानि स त्यति बेला मात्र बूढो हुन्छ, जति बेला उसले आफूलाई बूढो ठान्छ।

मैले अझै धेरै काम गर्न र्न बाँकी छ—संसारलाई अझ नजि कबाट नि याल्ने, भावी पुस्ताका लागि थप योगदान पुर् याउने, जीवनको सौन्दर्य र्यको आनन्द लि ने र अवकाशको समयमा पनि आफ्ना आँखाको चमक कायम राख्ने। अवकाश कामबाट मात्र हो, जीवनबाट होइन।

तपाईंहरूजस्ता साथीहरू पाउनु मेरो लागि सौभाग्यको कुरा हो; यद्यपि हामी केवल च्याट ग्रुपमा 'हेलो' भन्न मात्र पाउँछौं, तर कम्तीमा त्यो एउटा अवसर त हो। साथीहरू, सम्पर्क र्क मा रहि रहनुहोला। तपाईंहरू सबैलाई शुभकामना र ईश्वरको आशीर्वा द रहोस्।

शैलज रन्जि तकार

मैले आफूले चाहेको काम गरेको छु, जसका लागि म सर्व र्वशक्ति मानप्रति कृतज्ञ छु। जीवनले मलाई सुखद र कठि न दुवै कि सि मका पलहरू दि एको छ। सायद यही कारणले गर्दा म कठि नाइहरूसँग मि त्रता गाँस्न सकेँ।

केटाहरूको छात्रावासमा पहि लो दि न थि यो। आर. जी. कर मेडि कल कलेजको सुरुवात मेरो मनमा एक कि सि मको भारीपन वा भावुकता थि यो। यसो भन्दैमा म यसअघि कहि ल्यै छात्रवासमा बसेको थि इनँ भन्ने होइन; वास्तवमा म ६ वर्ष र्षको उमेरदेखि नै छात्रवासमा बस्दै आएको थि एँ। वयस्क अवस्थामा भने यो अनुभव पक्कै पनि फरक थि यो । यसमा नयाँ साथीहरूसँगको भेटघाट र अग्रजहरूले बनाएको प्रणाली बुझ्नेसम्बन्धी चि न्ता जोडि एको हुन सक्छ। त्यसमाथि , चार जना एउटै कोठामा मि लेर बस्नुपर्ने र्ने भएकाले आवासको व्यवस्था पनि त्यति सहज थि एन। तर, यही अवस्था मेरा लागि लुकेको वरदान साबि त भयो; यसैले मलाई यस्ता मानि सहरूसँग भेट्ने र मि त्रता गाँस्ने अवसर दि यो जो अब मेरो जीवनको अभि न्न अंग बनि सकेका छन्—कहि लेकाहीँ दि क्क लाग्दो व्यवहार गर्ने र्ने भए पनि , उनीहरू मेरा लागि पाउनु सौभाग्य मानि ने खालका उत्कृष्ट र प्रि य साथीहरू हुन्।

हामी सन् १९८८ को ब्याच थि यौ । मलाई सम्झना भएसम्म, जसमा करि ब १५० जना छात्र-छात्राहरू थि ए र हामी एकअर्का लाई चि न्न नि कै उत्साहि त थि यौं। वि भि न्न पृष्ठभूमि र जीवनप्रति को फरक-फरक दृष्टि कोण बोकेका हामी जसरी हुर्कि र्कि यौं र मेडि कल वि द्यार्थी हरूको एउटा यस्तो समूह बन्यौं, त्यो सम्झँदा ६ वर्ष र्षको यात्रा नि कै रोचक लाग्छ। सम्झनलायक धेरै राम्रा र पुराना यादहरू छन्—वि शेष गरी चलचि त्र हेर्न र्नका लागि कक्षा छोड्ने ती बदमासीहरू र कहि लेकाहीँ कक्षामा अलि बढी नै चकचक गर्ने र्ने बानी। फोरेन्सि क (Forensic) कक्षामा कागजका प्लेन उडाएको र हि स्टोलोजी (Histology) कक्षामा हस्तरेखा हेर्ने र्ने ती पलहरू अझै याद आउँछ—अनि अझ रमाइलो त तब हुन्थ्यो जब केटीहरू आफ्नो भवि ष्यबारे जान्न इच्छुक हुन्थे। सहकर्मी लाई गुमाउनुपर्दा को त्यो क्षण दुःखद र पीडादायी थि यो। यद्यपि , यद्यपि , मलाई यो भन्न खुसी लाग्छ कि हामीमध्ये धेरैजना डाक्टर बन्न सफल भयौं । एउटा यस्तो सौभाग्य जुन नि कै कडा परि श्रम र पसि ना बगाएर प्राप्त भएको थि यो।

हामी सबै हामीले चाहेको वा जीवनले हामीलाई हाम्रो व्यक्ति गत रुचि को क्षेत्रमा सफल बनाउनको लागि मार्ग र्गनि र्दे र्देशन गरेका छौं । मैले सि कर्मी गर्न र्न रोजेको छु कि नभने मलाई दि मागको प्रयोगभन्दा हातको प्रयोग गरेर शारीरि क रूपमा कडा परि श्रम गर्ने र्ने काममा बढी रुचि छ—हाम्रा एक प्लास्टि क सर्ज र्जरी परामर्श र्शदाताले भनेजस्तै, 'अर्थो पेडि सि यनहरू साँढेजस्तै बलि या हुन्छन्'। म आफैंलाई मैले आफूले चाहेको काम गरेको छु, जसका लागि म सर्व र्वशक्ति मानप्रति कृतज्ञ छु। जीवनले मलाई सुखद र कठि न दुवै कि सि मका पलहरू दि एको छ। सायद यही कारणले गर्दा म कठि नाइहरूसँग मि त्रता गाँस्न सकेँ।

केटाहरूको छात्रावासमा पहि लो दि न थि यो। आर. जी. कर मेडि कल कलेजको सुरुवात मेरो मनमा एक कि सि मको भारीपन वा भावुकता थि यो। यसो भन्दैमा म यसअघि कहि ल्यै छात्रवासमा बसेको थि इनँ भन्ने होइन; वास्तवमा म ६ वर्ष र्षको उमेरदेखि नै छात्रवासमा बस्दै आएको थि एँ। वयस्क अवस्थामा भने यो अनुभव पक्कै पनि फरक थि यो । यसमा नयाँ साथीहरूसँगको भेटघाट र अग्रजहरूले बनाएको प्रणाली बुझ्नेसम्बन्धी चि न्ता जोडि एको हुन सक्छ। त्यसमाथि , चार जना एउटै कोठामा मि लेर बस्नुपर्ने र्ने भएकाले आवासको व्यवस्था पनि त्यति सहज थि एन। तर, यही अवस्था मेरा लागि लुकेको वरदान साबि त भयो; यसैले मलाई यस्ता मानि सहरूसँग भेट्ने र मि त्रता गाँस्ने अवसर दि यो जो अब मेरो जीवनको अभि न्न अंग बनि सकेका छन्—कहि लेकाहीँ दि क्क लाग्दो व्यवहार गर्ने र्ने भए पनि , उनीहरू मेरा लागि पाउनु सौभाग्य मानि ने खालका उत्कृष्ट र प्रि य साथीहरू हुन्।

हामी सन् १९८८ को ब्याच थि यौ । मलाई सम्झना भएसम्म, जसमा करि ब १५० जना छात्र-छात्राहरू थि ए र हामी एकअर्का लाई चि न्न नि कै उत्साहि त थि यौं। वि भि न्न पृष्ठभूमि र जीवनप्रति को फरक-फरक दृष्टि कोण बोकेका हामी जसरी हुर्कि र्कि यौं र मेडि कल वि द्यार्थी हरूको एउटा यस्तो समूह बन्यौं, त्यो सम्झँदा ६ वर्ष र्षको यात्रा नि कै रोचक लाग्छ। सम्झनलायक धेरै राम्रा र पुराना यादहरू छन्—वि शेष गरी चलचि त्र हेर्न र्नका लागि कक्षा छोड्ने ती बदमासीहरू र कहि लेकाहीँ कक्षामा अलि बढी नै चकचक गर्ने र्ने बानी। फोरेन्सि क (Forensic) कक्षामा कागजका प्लेन उडाएको र हि स्टोलोजी (Histology) कक्षामा हस्तरेखा हेर्ने र्ने ती पलहरू अझै

याद आउँछ—अनि अझ रमाइलो त तब हुन्थ्यो जब केटीहरू आफ्नो भवि ष्यबारे जान्न इच्छुक हुन्थे। सहकर्मी लाई गुमाउनुपर्दा को त्यो क्षण दुःखद र पीडादायी थि यो। यद्यपि , यद्यपि , मलाई यो भन्न खुसी लाग्छ कि हामीमध्ये धेरैजना डाक्टर बन्न सफल भयौं । एउटा यस्तो सौभाग्य जुन नि कै कडा परि श्रम र पसि ना बगाएर प्राप्त भएको थि यो।

हामी सबै हामीले चाहेको वा जीवनले हामीलाई हाम्रो व्यक्ति गत रुचि को क्षेत्रमा सफल बनाउनको लागि मार्ग र्गनि र्दे र्देशन गरेका छौं । मैले सि कर्मी गर्न र्न रोजेको छु कि नभने मलाई दि मागको प्रयोगभन्दा हातको प्रयोग गरेर शारीरि क रूपमा कडा परि श्रम गर्ने र्ने काममा बढी रुचि छ—हाम्रा एक प्लास्टि क सर्ज र्जरी परामर्श र्शदाताले भनेजस्तै, 'अर्थो पेडि सि यनहरू साँढेजस्तै बलि या हुन्छन्'। म आफैंलाई 'फि जि सि यन' (चि कि त्सक) को रूपमा कल्पना गर्दा सायद हाँस्ने थि ए होला।

हामी सबैजसो अहि ले ५५ वर्ष र्षको हाराहारीमा छौं—कोही अलि बढी, कोही अलि कम। हामी कसैसँग जीवनको गाँठोमा बाँधि एका छौं (यदि कोही बाँधि नुभएको छैन भने माफ गर्नु र्नुर्नुहोस्) र आफ्नो रोजाइको वा हामीलाई रोज्न लगाइएको (वा वि श्वास गर्न र्न बाध्य पारि एको) जीवन बाँचि रहेका छौं। जीवनको यस चरणमा यो कुराले खासै अर्थ र्थ राख्दैन। हामी बूढा भयौं भन्ने होइन, मानि स त्यति बेला मात्र बूढो हुन्छ, जति बेला उसले आफूलाई बूढो ठान्छ।

मैले अझै धेरै काम गर्न र्न बाँकी छ—संसारलाई अझ नजि कबाट नि याल्ने, भावी पुस्ताका लागि थप योगदान पुर् याउने, जीवनको सौन्दर्य र्यको आनन्द लि ने र अवकाशको समयमा पनि आफ्ना आँखाको चमक कायम राख्ने। अवकाश कामबाट मात्र हो, जीवनबाट होइन। तपाईंहरूजस्ता साथीहरू पाउनु मेरो लागि सौभाग्यको कुरा हो; यद्यपि हामी केवल च्याट ग्रुपमा 'हेलो' भन्न मात्र पाउँछौं, तर कम्तीमा त्यो एउटा अवसर त हो। साथीहरू, सम्पर्क र्क मा रहि रहनुहोला। तपाईंहरू सबैलाई शुभकामना र ईश्वरको आशीर्वा द रहोस्।